বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে স্পেন। শিরোপার পাশাপাশি টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও দলীয় পুরস্কারও তুলে দেওয়া হয়েছে।
ফাইনাল শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পেন অধিনায়ক রদ্রির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেন। এর আগে টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল পুরস্কারও জেতেন স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার।
আসরের আট ম্যাচে ৭২৬ মিনিট মাঠে ছিলেন রদ্রি। তিনি ৬৯২টি সফল পাস দিয়ে টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ নির্ভুল পাসের রেকর্ড গড়েন। তাঁর পাসের সাফল্যের হার ছিল ৯৪ শতাংশ। পাশাপাশি ১৩টি সফল ট্যাকলও করেন তিনি।
ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ফেরান তোরেস। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে তাঁর করা একমাত্র গোলেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন।
এদিকে, ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ১০ গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে গোল্ডেন বুট জিতেছেন।
গোল্ডেন গ্লাভ জিতেছেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি মাত্র একটি গোল হজম করেছেন এবং সাতটি ক্লিনশিট রেখেছেন। পাশাপাশি বিশ্বকাপে টানা প্রায় ৫৫০ মিনিট গোল না খাওয়ার কীর্তিও গড়েছেন তিনি।
টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন স্পেনের ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। তাঁর উপস্থিতিতে পুরো আসরে প্রতিপক্ষ মাত্র একটি গোল করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া তিনি ৩৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স করেছেন।
অন্যদিকে, সবচেয়ে শৃঙ্খলাপূর্ণ ফুটবল খেলে ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড জিতেছে নেদারল্যান্ডস।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের পুরস্কারজয়ীরা
ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়: ফেরান তোরেস
গোল্ডেন বল (টুর্নামেন্টসেরা): রদ্রি
গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা): কিলিয়ান এমবাপ্পে (১০ গোল)
গোল্ডেন গ্লাভ (সেরা গোলরক্ষক): উনাই সিমন (৭টি ক্লিনশিট)
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়: পাউ কুবারসি
ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড: নেদারল্যান্ডস




