- তাকওয়া বা আল্লাহ-সচেতনতা অর্জন: রোজার প্রধান লক্ষ্য হলো আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আন্তরিক ভয় লালন এর মাধ্যমে নিজেকে সব ধরনের অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে দূরে রাখা ।
- আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধি: সুবহে সাদিক বা প্রত্যুষের আলোক রেখা উজ্জ্বল হওয়া থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌন সম্ভোগ বর্জন ও নিজের কুপ্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অন্তরকে পবিত্র জীবন পরিচালনা করা শেখায়।
- ধৈর্য ও সহনশীলতা: ক্ষুধা ও পিপাসা যন্ত্রণা সহ্য করে দীর্ঘ সময় অর্থাৎ সারাদিন উপবাস থাকার ও যৌন প্রবৃত্তি সংযম এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে অসীম ধৈর্য এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে টিকে থাকার শক্তি ও মন বল তৈরি হয়।
- সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ: উপবাসের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের অনাহারের কষ্ট অনুভব করা যায়, যা অভাবীদের প্রতি দয়া, দান এবং সামাজিক ভাতৃত্ব বাড়াতে উৎসাহিত করে ।
- শৃঙ্খলাময় জীবন গঠন: সেহরি ও ইফতারের নির্দিষ্ট সময় মেনে চলা এবং নিয়মিত ইবাদত ও অশ্লীলতা বর্জনের মাধ্যমে একজন মুমিন ব্যক্তির জীবনে সময়ের মূল্য ও সুশৃঙ্খল অভ্যাসের প্রতিফলন ঘটে ।
রমজানের এই মহান শিক্ষাগুলো আমাদের সারা বছরের পথচলার পাথেয় হতে পারে।






