নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করল আর্জেন্টিনা। শেষ সাত মিনিটে দুই গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল তীব্র লড়াই ও শারীরিক ফুটবলের ছাপ। প্রথমার্ধে দুই দল মিলিয়ে মোট ১৯টি ফাউল করে। আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করলেও গোলমুখে তেমন কোনো কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি কেউই। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিট।
বিরতির পর ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ডান দিক থেকে মরগান রজার্সের নিখুঁত ক্রসে দুর্দান্ত ফিনিশ করে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন। সেই গোলেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটা নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ইংলিশরা।
তবে গোল হজমের পরই বদলে যায় আর্জেন্টিনার খেলার ধরন। একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে দেয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ পর্যন্ত ৮৫তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ।
সমতায় ফেরার পর থেমে থাকেনি আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে জয়সূচক গোল করেন লাওতারো মার্টিনেজ। মাত্র সাত মিনিটের ঝড়েই ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে দিয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তেরা।
এই জয়ের ফলে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে স্পেন। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও ২০১০ সালের বিশ্বজয়ীদের এই মহারণ এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ম্যাচ।
