পালাবদলের পর তৃণমূলে তৈরি হওয়া ভাঙনের আবহে এবার উল্টো স্রোতের ইঙ্গিত মিলল। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে থাকা তিন বিধায়ক—বসিরহাট উত্তর কেন্দ্রের তৌসিফুর রহমান, বারুইপুর পূর্বের বিভাস সর্দার এবং মেটিয়াবুরুজের আবদুল খালেক মোল্লা—আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রতি প্রকাশ্যে আস্থা জানিয়েছেন।সোমবার বিধানসভায় তৌসিফুর রহমান বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস, জোড়াফুল প্রতীক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি—এই তিনটি বিষয় পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। মমতার ছবি ছাড়া তিনি ১০টি ভোটও পেতেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জানা গেছে, ইতিমধ্যে মমতার বাড়িতে গিয়ে তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন।তাঁর সুরেই মমতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন বিভাস সর্দার ও আবদুল খালেক মোল্লা। হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের কর্মসূচিতে তিন বিধায়ককেই মমতাপন্থী নেতাদের সঙ্গে দেখা যায়।তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের দাবি, ওই তিন বিধায়ক সরাসরি কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন এবং আরও ২৩-২৪ জন বিধায়ক ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেছেন। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে এখনও ৬৫ জন বিধায়ক রয়েছেন এবং আবদুল খালেক মোল্লা তাঁদের সঙ্গেই আছেন।ফলে তিন বিধায়কের প্রকাশ্য অবস্থান বদল ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—তবে কি ঋতব্রত শিবিরে ভাঙন ধরতে শুরু করেছে এবং তৃণমূলে আবার ফিরতে চাইছেন আরও বিধায়ক?
২০০ বছর পর পরিবারে কন্যাসন্তান, মহারাষ্ট্রে ফুলে সাজানো রথে রাজকীয় বরণ
দুই শতাব্দীর অপেক্ষা। এক-দু’টি বছর নয়, টানা পাঁচ প্রজন্ম ধরে যে ঘরে কন্যাসন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষা ছিল, অবশেষে সেই প্রতীক্ষার...





